• সোমবার ২০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

আদিতমারীতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ৪০ মিটার বাঁশের সেতু

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০২৪  

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলা সদর থেকে কান্তেশরপাড়ার দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। কিন্তু দূরত্বকে ৪ কিলোমিটারে পরিণত করেছিল স্বর্ণামতি নদীটি। কান্তেশর পাড়ার লোকজনকে উপজেলা সদরে ৪ কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হতো। অবশেষে এলাকাবাসী অর্থ আর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো স্বর্নামতি রেল ব্রীজের পাশে ৪০মিটার দীর্ঘ বাঁশের সেতুটি।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে এলাকার সুধীজনরা উপস্থিত থেকে সাঁকোটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মনছুর আলী সরকার, আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বাবু মহেন্দ্র নাথ, জেলা স্কাউটস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, আদিতমারী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের পেশ ঈমান ও স্কুল শিক্ষক এআরএম হাবিবুর রহমান, সমাজকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, আদিতমারী প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরহাদ আলম সুমন, আওয়ামী লীগ নেতা তপন কুমার ঘোষ প্রমুখ।

আদিতমারী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের পেশ ঈমান ও স্কুল শিক্ষক এআরএম হাবিবুর রহমান বলেন, একটি ভালো উদ্যোগ কখনও থেমে থাকে না। এলাকার লোকজনের প্রচেষ্টায় নির্মিত বাঁশের সাঁকোটিই এর জলন্ত উদাহরণ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বাবু মহেন্দ্র নাথ বলেন, রেল সেতুটি দিয়ে পারাপারের সময় পড়ে গিয়ে অনেকের হাত-পা ভেঙে গেছে। আজ থেকে হয়তো আর মানুষের কষ্ট হবে না। তিনি ব্রিজটি অদুর ভবিষ্যতে স্থায়ী ব্রিজ করার জন্য সরকারের দৃষ্টি কামনা করেন।

ব্রীজটি নির্মানের উদ্যোক্তা সমাজকর্মী বীরেন্দ্র নাথ বলেন, স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত সেতুটির পাশেই রেলসেতু দিয়ে এলাকার লোকজন ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করতেন। এ কারণে হর হামেশা দর্ঘটনা লেগেই থাকত। এ বিষয়টি উপলব্ধি করে কান্তেশর পাড়া ও বসুনিয়া পাড়ার মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি করতেই এলাকার মানুষের সঙ্গে পরামর্শ সাপেক্ষে সেতুটি নির্মাণ করা হলো। এই মেলবন্ধনের পাশাপাশি কান্তেশর পাড়ার সঙ্গে উপজেলা সদরের দূরত্বও আড়াই কিলোমিটার কমে এসেছে।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –