• শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৪ ১৪৩১

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী। ২৫ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসির সব পরীক্ষা স্থগিত।

আগাম জাতের আলু চাষে কৃষকের মুখে হাসি

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২৪  

লালমনিরহাটে আগাম জাতের আলু চাষে হাসি ফুটছে কৃষকের মুখে। এবার জেলার পাঁচ উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে আলুর দামও ভালো।

সরেজমিনে বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, আগাম জাতের বিভিন্ন জাতের আলু বাজারে সয়লাব। এরমধ্যে হল্যান্ড আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা। ক্যারেজ প্রতি কেজি ৫০-৫৫ টাকা, দেশি আলু (লাল) ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি রবি মৌসুমে জেলায় আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৩০০ হেক্টর। চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। আলু তোলা হয়েছে ৫৫ হেক্টর জমির। উঁচু জমি ও তিস্তা-ধরলা নদীর বিস্তীর্ণচরে আগাম জাতের আলুর ভালো ফলন হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘা আলু উৎপাদনের খরচ বাদ দিয়ে এক বিঘা জমিতে কৃষকের লাভ হচ্ছে গড়ে ২৭-৩০ হাজার টাকা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আলু চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। গত বছর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ২০-২৫ টাকা।

পাটগ্রাম উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, আগাম জাতের আলুর দ্বিগুণ ফলন হয়েছে। এ আলুতে রোগবালাই নেই। স্বাভাবিক পরিচর্যায় এ আলু ভাল ফলন দেয়।

হাতীবান্ধা উপজেলার চর সিন্দুর্না এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, আগাম জাতের আলু কম সময়ে অধিক ফলন দিয়েছে। আগামী বছর আবারও এ আলু চাষ করব।

হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা লতিফুল বারি বলেন, কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করার ফলে সমস্যা মোকাবিলা করে আলুর ভালো ফলনে সক্ষম হয়েছেন।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হামিদুর রহমান বলেন, জেলার মাটি আলু চাষের উপযুক্ত। তাই প্রতি বছর এ জেলায় অধিক পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়। আলু চাষের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিতে উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী অফিসাররা মাঠে কাজ করছেন।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –