• শনিবার   ২৫ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১২ ১৪২৯

  • || ২৪ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন- প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরই স্বপ্ন ছোঁয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সভাস্থলে আসছেন মানুষ পদ্মাসেতু মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে: রাষ্ট্রপতি পদ্মাসেতু নির্মাণে সেনাবাহিনী পদ্মাসেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশকে ভারতের অভিনন্দন

শেহবাজ শরিফ : উত্থান-পতনের ৩৪ বছর পর প্রধানমন্ত্রী     

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২২  

রাজনীতি শুরুর পর উত্থান-পতনের ৩৪ বছরে এসে পাকিস্তানের ২৩তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন  শাহবাজ শরীফ। দেশটির সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সদস্যরা জাতীয় পরিষদের অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করায় নিজেদের বলয়ের সদস্যদের ভোটে সহজেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। ৩৪২ আসনের জাতীয় পরিষদে ১৭৪ ভোট পান শেহবাজ শরিফ।

পাকিস্তানের সংসদের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল পিটিআই। তাদের সদস্য সংখ্যা ১৫৫। কিন্তু সোমবার তারা অধিবেশন বর্জন করে। এরপর সম্মিলিত বিরোধী দলের ১৭৪ সদস্য ভোট দিয়ে শেহবাজকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।

পাকিস্তানের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী হলেন দেশটির তিন বারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ছোট ভাই। তার পুরো নাম মিয়া মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফ। তিনি ঘরোয়া রাজনীতিতে বেশ পরিচিত মুখ হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুব একটা পরিচিত নন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন। তিন দফায় ১২ বছর ধরে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এই শাহবাজ। প্রদেশটির সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি মুখ্যমন্ত্রীও তিনি। প্রথমে ১৯৯৭-১৯৯৯ ও পরবর্তীতে দুই দফায় টানা ২০০৮-২০১৮ সাল পর্যন্ত পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানে সামরিক অভ্যুত্থানের পর গ্রেফতার হন শাহবাজ ও পরবর্তীতে তাকে সৌদি আরবে নির্বাসিত করা হয়। এরপর ২০০৭ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

২০১৭ সালে প্রকাশিত পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে নওয়াজ শরীফের নাম জড়ানোর পর শাহবাজ পিএমএল-এনের সভাপতি হন। এর মধ্য দিয়েই জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। ১৯৫০ সালে লাহোরে জন্ম নেয়া শাহবাজ তার ৩৪ বছরের রাজনীতির ক্যারিয়ারে বহু উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছেন।

পাকিস্তান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ভোটাভুটিতে ১৭৪ জন সদস্য শাহবাজের পক্ষে রায় দিয়েছেন। নির্বাচনী দৌড়ে শাহবাজের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কোরেশি। তবে কোরেশিসহ পিটিআইয়ের সব সদস্য অধিবেশন বয়কট করায় কার্যত শাহবাজের জন্য মাঠ ফাঁকা হয়ে যায়।

সূত্র: জিও নিউজ

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –