• বুধবার   ২৫ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪২৯

  • || ২২ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ১২৩তম জন্মজয়ন্তী আজ সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে পারে দেশীয় পণ্য নিশ্চিত করতে শুল্ক বসল দুই শতাধিক পণ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদে শিক্ষকদের সহায়তা করার নির্দেশ নজরুলের সৃজনশীল কর্ম বিশ্ব সাহিত্যেও বিরল

উন্নত মোবাইল নেটওয়ার্ক-ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২২  

কল ড্রপ, দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে কল বিচ্ছিন্ন হওয়ার মত ভোগান্তি বন্ধ করে স্বচ্ছ ভয়েস কল, দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং স্থিতিশীল মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।  

সেই সঙ্গে মোবাইল নেটওয়ার্ক, মোবাইল ইন্টারনেট সংক্রান্ত সমস্যা এবং গ্রাহকদের অভিযোগের দ্রুত সমাধানে বিটিআরসির ‘অভিযোগ সেলের’  কার্যরক্রম পর্যসবেক্ষণে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছেন আদালত।  

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব,  বিটিআরসির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশ (এমটব)’র একজন প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে। আদেশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এ কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দেকার দিলিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার রুলসহ এ আদেশ দেন।   

স্বচ্ছ ভয়েস কল, দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং স্থিতিশীল মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করতে বিবাদিদের নিষ্ক্রীয়তা কেন অবৈধ ঘোসনা করা হবে না এবংগ্রাহকের কেনা মোবাইল ইন্টারনেট ডাটার পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতে প্যাকেজে মেয়াদ বাতিল করতে করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না. জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।  

ডাক, টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান,  রবির প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী এরিক আস টাইগার্স ডেন ও টেলিটকের প্রধান নির্বাহী মো. শাহাব উদ্দিনসহ সাত বিবাদিকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাইফুর রহমান রাহি চারটি মোবাইল অপারেটরেরই গ্রাহক। কল ড্রপ, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের মেয়াদসহ নানা ভোগান্তি নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি বিটিআরসিতে অভিযোগ করেন।   কিন্তু বিটিআরসির অভিযোগ সেল থেকে এর প্রতিকার না পেয়ে গত ১০ জানুয়ারি তিনি আইনি নোটিস দেন। কিন্তু বিবাদিদের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে গত সপ্তাহে রুল ও নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানির পরই রুল ও নির্দেশনা দিলেন হাইকোর্ট।  

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম এ মাসুম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি  জেনারেল বিপুল বাগমার। আইনজীবী এম এ মাসুম পরে সাংবাদিকদের বলেন, বিটিআরসির অভিযোগ সেল বিভিন্ন সেল বিভিন্ন সময় অভিযোগ গ্রহণ করছে। কিন্তু সেই সেলটি যথাযথভাবে কাজ করছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। যদি কাজ করত তাহলে এসব মোবাইল গ্রাহকদের ভোগান্তিগুলো থাকত না। সে জন্যেই আমরা রিট আবেদনে বিটিআরকির অভিযোগ সেলটির কর্মকাণ্ড  তদারকী করতে একটি কমিটি চেয়েছিলাম। আদালত সে কমিটি করে দিয়েছেন।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –