• মঙ্গলবার   ০৩ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১৮ ১৪২৮

  • || ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
টিকার আওতায় ১ কোটি ৩৪ লাখ মানুষ, অপেক্ষায় দেড় কোটি ২ আগস্ট ১৯৭১: ‘মুজিবের ফাঁসি হলে একই দড়িতে ঝুলবে পাকিস্তান’ প্রণোদনার জন্য স্মার্ট কার্ড পাবেন দেড় কোটির বেশি কৃষক বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনের প্রত্যাশা ভালোবাসার বৃষ্টিতে ভিজলো ‘একটি দেশের জন্য গান’

সরকারি খরচে ৩৫১৩৭ অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীকে আইনি সহায়তা

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২১  

চলতি ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ এই তিন মাসে অসহায়, দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল ৩৫ হাজার ১৩৭ জন বিচারপ্রার্থীকে সরকারি খরচায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কল সেন্টার বা হট লাইনের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ ও তথ্য সেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা ১০ হাজার ৯৬৩ জন। এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) করা হয়েছে ৫ হাজার ১৯৮টি। এরমধ্যে মামলা দায়েরের আগে (প্রি-কেইস ম্যানেজমেন্ট) ৪ হাজার ৪৪৬টি এবং মামলা দায়েরের পর ৭৫২টি।

মহামারি করোনা সংকটেও জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার আইনি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। করোনার মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে করোনার এই প্রাদুর্ভাবের কারণে আইন সহায়তা প্রত্যাশীরা অফিসের নির্ধারিত নাম্বারে (০১৭০০-৭৮৪২৭০) যোগাযোগ করলেই আইনি পরামর্শ পাচ্ছেন।

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্ধারিত হটলাইন নাম্বার ১৬৪৩০ নম্বরে (টোল ফ্রি) আইনি সেবা অব্যাহত রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০’ প্রণয়ন করে। ২০০০ সালে তৎকালীন শাসন আমলে আইনটি প্রণয়ন করে আওয়ামী লীগ।

তারপরের সরকারগুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনটি কার্যকরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।

২০০০ সালে প্রণীত আইনটি অনুযায়ী ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’ গঠন করা হয়। রাজধানীর ১৪৫, নিউ বেইলি রোডে এ সংস্থার প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর ব্যাপ্তি সুপ্রিমকোর্ট, দেশের অধঃস্তন আদালত, শ্রম আদালত, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এখন প্রতিষ্ঠিত। জেলা কমিটি গঠন, প্রতিটি জেলা জজ আদালতে এর কার্যালয় রয়েছে।

নানা প্রচার, প্রচারণা, সেমিনার-কর্মশালা ও প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এ সেবা এখন মানুষের দোরগোড়ায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –