• বুধবার   ২২ মার্চ ২০২৩ ||

  • চৈত্র ৭ ১৪২৯

  • || ২৭ শা'বান ১৪৪৪

সর্বশেষ:
সরকারের পদক্ষেপের ফলে প্রায় শতভাগ শিশু ভর্তির হার অর্জিত হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী শিশুর শারীরিক, মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই- রাষ্ট্রপতি বেরোবিতে সেশনজট নিরসনে স্বস্তি মিলেছে শিক্ষার্থীদের ফাঁকা বাড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে পালালেন চাচা গাইবান্ধায় ভুট্টাক্ষেতে মিলল যুবকের লাশ

দেশে উদ্ভাবিত কিট দিয়ে কোভিড পরীক্ষা শুরু

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩  

করোনাভাইরাস শনাক্তের কার্যক্রম দেশেই উদ্ভাবিত ‘বিসিএসআইআর-কোভিড কিট’ দিয়ে শুরু হয়েছে। এই কিটের মাধ্যমে প্রতিটি শনাক্তকরণ টেস্টে খরচ হবে মাত্র ২৫০ টাকা।

বিএসএমএমইউয়ের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

এই কিট বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহযোগিতায় উদ্ভাবিত হয়েছে।

বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আফতাব আলী শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএসএমএমইউয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা.  আফজালুন নেছা এবং ঢাবির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আহসান।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই কিটের ন্যূনতম শনাক্তকরণ ক্ষমতা ১০০ কপি ভাইরাস/মি.লি. যেখানে অন্যান্য আমদানিকরা কিটগুলোর ন্যূনতম শনাক্তকরণ ক্ষমতা ১০০০ কপি ভাইরাস/মি.লি.। অর্থাৎ এই কিট দ্বারা খুব ন্যূনতম ভাইরাসকেও শনাক্ত করা যাবে। ফলে রোগের উপসর্গ প্রকাশের আগেই ভাইরাসের উপস্থিতি জানা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, কোভিড শনাক্তকরণে আরটিপিসিআর টেস্টকে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। কিন্তু এই ধরনের কিট অত্যন্ত ব্যয়বহুল, প্রতিটি পরীক্ষায় খরচ হয় আনুমানিক তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। তবে, বিসিএসআইআর যে কিট উদ্ভাবন করেছে, এতে খুবই কম খরচে পরীক্ষা করা সম্ভব। প্রতিটি শনাক্তকরণ টেস্টে খরচ হবে মাত্র ২৫০ টাকা।

উপাচার্য বলেন, বিসিএসআইআর-কোভিড কিট কোভিড-১৯ শনাক্তকরণের জন্য একটি সহজ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী পদ্ধতি। দেশের ওষুধশিল্পে জড়িত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এই কিটটি উৎপাদনে গেলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এক্ষেত্রে বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীরা কারিগরি সহায়তা দিতে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –