• শনিবার ২০ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৭ ১৪৩১

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪৫

সর্বশেষ:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অন্যতম নকশাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা শিব নারায়ণ দাস, আজ ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। বন্যায় দুবাই এবং ওমানে বাংলাদেশীসহ ২১ জনের মৃত্যু। আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেল ও স্বর্ণের দাম। ইসরায়েলের হামলার পর প্রধান দুটি বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল শুরু। ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানে।

পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম বাজার উদ্বোধন আজ

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

সমতলের চায়ের ভূমি পঞ্চগড়ে চালু হচ্ছে দেশের তৃতীয় চা নিলাম বাজার। এরই মধ্যে সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চা বোর্ড। পাঁচটি ব্রোকারস হাউজ ও দুটি ওয়ারহাউজকে অনুমোদন দিয়েছে চা বোর্ড।

আজ শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলা সরকারি অডিটোরিয়ামে দেশের একমাত্র অনলাইন ও তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শুরুতে নিলাম হবে অনলাইন কেন্দ্রিক। এ নিলাম বাজার গড়ে উঠলে সমতলের চা কেন্দ্রিক অর্থনীতি পাবে নতুন মাত্রা। বাঁচবে কারখানা মালিক ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত খরচ। চাষিরাও পাবেন কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য।

চা বোর্ড জানায়, বর্তমানে চা উৎপাদনে চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে প্রান্তিক এ জেলা। ২০২২ সালে উত্তরের সমতলের পাঁচ জেলায় ২৫টি কারখানায় তৈরি চা উৎপাদিত হয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৫৯ হাজার ২২৬ কেজি। যার মধ্যে পঞ্চগড়েই তৈরি চা উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫২ লাখ কেজি। 

দেশের মোট উৎপাদিত তৈরি চায়ের প্রায় ১৯ শতাংশ আসছে সমতলের চা থেকে। কিন্তু সমতলে কোনো নিলাম বাজার না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হতো কারখানা মালিক ও চা ব্যবসায়ীদের। চায়ের চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের নিলাম বাজার চা নিয়ে যেতে যাতায়াতেই গুণতে হতো বড় খরচ। চায়ের দাম নিয়েও ধোঁয়াশায় থাকতেন প্রান্তিক চা চাষিরা। তবে সমতলে চায়ের নিলাম বাজার স্থাপনের দীর্ঘদিনের দাবি এবার আলোর মুখ দেখছে।

চা ব্যবসায়ী ফোরাত জাহান সাথী বলেন, আগে আমাদের চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের নিলাম বাজার থেকে চা ক্রয় করে মোড়কজাত করতে হতো। পরিবহনেই অনেক বড় অঙ্কের খরচ হতো। এখন আমরা পঞ্চগড় থেকেই চা কিনতে পারবো।

সাজেদা রফিক চা কারখানার পরিচালক আকতারুজ্জামান সুমন বলেন, এখানে নিলাম কেন্দ্র চালু হলে আমাদের পথ খরচ বেঁচে যাবে। এতে আমরা যেমন লাভবান হবো তেমনি চাষিরাও লাভবান হবেন। সেই সঙ্গে চাষিরাও তাদের চা পাতা কি দরে বিক্রি হচ্ছে তা জানতে পারবে।

ইন্ডিগো ব্রোকারস লিমিটেডের মালিক সাইদুর রহমান বলেন, আমরা সব নিলামের জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আমরা আশা করছি দেশি-বিদেশি বায়ারদের সাড়া পাবো। আমাদের শুরুটা ভালো হবে। সেই সঙ্গে এখানে চায়ের অর্থনীতি নতুন মাত্রা পাবে।

চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আশরাফুল ইসলাম বলেন, এই এলাকা চায়ের জন্য ব্যাপক সম্ভাবনাময়। বর্তমান সরকার মনে করেছে এখানে একটি নিলাম বাজার হওয়া উচিত। আগে এখানে শুধু চা উৎপাদন হতো, এখন কেনাবেচাও হবে। শ্রীমঙ্গল এবং চট্টগ্রামে যেতে হবে না, যেকোনো স্থান থেকেই এই অনলাইন নিলাম কেন্দ্র থেকে চা কেনাবেচা করা যাবে। এই নিলাম কেন্দ্রের মাধ্যমে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিবর্তন আসবে। সমতলের চায়ের আরো বিকাশ ঘটাবে।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –