• রোববার ১৬ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪৩১

  • || ০৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

রোজার শুরুতেই জমজমাট বউবাজার

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২৩  

ছুটির দিন হওয়ার রমজানের প্রথম দিনেই জমে উঠেছে দিনাজপুরে দোকান কর্মচারীদের পরিচালিত নারীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী বউবাজার। ঈদের পোশাক কিনতে শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকেই নারীদের উপচে পড়া ভিড় জমেছে। ফলে বসে থাকার উপায় নেই বিক্রেতাদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দোকান কর্মচারীদের নিজেদের বাড়তি আয়ের জন্য ও নারী ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দিনাজপুরে পরিচালিত হয় ব্যতিক্রমধর্মী বউবাজার। প্রতি শুক্রবার বসা এ বাজার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ঈদকে ঘিরে উপচেপড়া ভিড় জমে এখানে।

প্রতি শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর পর্যন্ত দিনাজপুর পৌর শহরের বাসুনিয়াপট্টি, মাহদহপট্রি, গরুহাটি এ তিনটি রাস্তার দু’ধারে বসে বউবাজার। ভালো মানের কাপড় পাওয়া যায় এখানে। দামও তুলনামূলক কম থাকে।

স্নাতকে পড়ুয়া শ্রাবনী আক্তার বউবাজারে এসেছেন কাপড় কিনতে। তিনি বলেন, এ বাজারে খুবই কম মূল্যে উন্নতমানের সব ধরনের কাপড় পাওয়া যায়। শুধুমাত্র কম রোজগারের ক্রেতারাই নয়, ধনীরাও কাপড় কিনতে এখানে আসেন। নারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ এ বাজারে ক্রেতা হিসেবে কোন পুরুষ থাকে না। ফলে স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের বাজেটের মধ্যে কাপড় কেনা যায়।

নুসরাত জাহান সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। কাপড় কিনতে মায়ের সঙ্গে বউবাজারে এসেছে সে। নুসরাত জানায়, কম দামে অনেক ভালো ভালো কাপড় পেয়েছি। মাঝে মধ্যেই এ বাজারে কাপড় কিনতে আসি।

কাপড় বিক্রেতারা জানান, বউবাজার প্রতি ছুটির দিন জাঁকজমকভাবে পরিচালিত হয়। সাধারণ বাজারের চেয়ে এ বাজারে কম মূল্যে কাপড় পাওয়ায় যায়। তাই সব শ্রেণিপেশার লোকজন এখানে আসে।

দোকানি রাহাত বলেন, আমিও দোকান কর্মচারী। এখানে ২৫ বছর যাবত দোকানদারি করছি। সব সময় বেচাকেনা ভালো। তবে রমজানে বেশি বেচাকেনা হয়। কম দামে অনেক ভালো কাপড় পাওয়ায় নারী এখানে ভিড় জমান। এখানে শুধু কাপড় নয়, জুতা, স্যান্ডেলসহ অন্য জিনিসও পাওয়া যায়।

বউ বাজারের পরিচালনা কামিটর সহ-সভাপতি মো. আলম বলেন, ২২ বছর ধরে বউবাজার পরিচালিত হয়ে আসছে। এতে ক্রেতারা যেমন সুফল পাচ্ছেন তেমনি বিক্রেতারাও লাভবান হতে পারছে। ঈদকে ঘিরে নতুন নতুন ডিজাইনের কাপড় আনা হয়েছে।

আলম আরও বলেন, এ বাজারে দেড় শতাধিক কাপড়ের দোকান আছে। কর্মচারীরাই এসব দোকানের মালিক। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে কাপড় কিনে ছুটির দিনে নিজেদের এসব দোকানে বিক্রি করেন। বাকি দিনগুলোতে অন্যের কাপড়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তারা চাকরি করেন।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –