ব্রেকিং:
সারাদেশে সিনেমা হল নির্মাণে ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল দেবে সরকার-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  • রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৪ ১৪২৭

  • || ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
শেখ হাসিনাকে নিয়ে শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পার্বত্যাঞ্চল এখন মৈত্রীময় অঞ্চলে পরিণত হয়েছে- মন্ত্রী এ বছর আইসিটি খাতে ২০ লাখ কর্মসংস্থান হবে- প্রতিমন্ত্রী পলক মাত্র ১২ বছরে বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কারিগরি শিক্ষায় ভাতের অভাব হয় না- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

২০২১ সালে অগ্রাধিকার পাবে ফাইভ-জি 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ জানুয়ারি ২০২১  

২০২১ সালে ফাইভ-জি সেবা চালু, অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধ ও টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধনের মতো বড় বড় উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে ফাইভ-জি চালু করাই আগামী বছরের মূল চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ২০২১ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এ প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা থাকলেও আমাদের যেকোনো দিন এ সেবা চালু করার প্রস্তুতি রয়েছে।

ফাইভ-জি নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সেবা চালু করতে অপারেটরদের যে তরঙ্গ প্রয়োজন হবে, তা আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি। তরঙ্গ নিলামের জন্যও সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

এছাড়া ২০২১ সালে প্রাথমিকভাবে ব্যাংক, কৃষি, ব্যবসা খাত ও শিল্পাঞ্চলে ফাইভ-জি সেবা শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।

২০২১ সালের শুরুতে অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধে কাজ শুরু হচ্ছে জানিয়ে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধে এপ্রিলে প্রযুক্তি বাস্তবায়ন শুরু করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিটিআরসি। প্রযুক্তিটি চালু হলে গ্রাহকের হাতে থাকা এসব হ্যান্ডসেটে কোনো অপারেটরের সিমই চলবে না।

অবৈধ মোবাইল সেট বন্ধ ও বৈধ সেটের নিবন্ধনে ডিসেম্বরে বিটিআরসির সঙ্গে চুক্তি করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। চুক্তি অনুযায়ী ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম  চালু করতে হবে সিনেসিসকে। 

দ্রুতই অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধ করা হচ্ছে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, দ্রুতই অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধ করা হচ্ছে। অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধে ৩০ কোটি টাকার প্রযুক্তি কিনছে বিটিআরসি।

তিনি বলেন, এ প্রযুক্তি চালু হলে দেশে অবৈধ হ্যান্ডসেট কমে যাবে এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে প্রায় ৯টি কারখানায় মোবাইল ফোন সংযোজন ও উৎপাদন হচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০১ সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি জটিল বিষয় হলেও কাজ এগিয়ে চলছে। চলতি বছরেই এ কাজ সম্পূর্ণ করা যাবে বলে আশা করছি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে টু-জি প্রযুক্তির মোবাইল ফোন সেবা চালুর পর আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই ২০১৩ সালে আসে থ্রি-জি। এরপর ২০১৮ সালে চালু হয় ফোর-জি।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –