• মঙ্গলবার   ২২ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪২৮

  • || ১০ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
সর্বোচ্চ পেশাদারী দক্ষতা ও উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন- প্রধানমন্ত্রী ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ চলছে সেতাবগঞ্জ পৌরসভায় টাইগার মাল্টিপল লঞ্চ মিসাইল সিস্টেম যোগ হলো সেনাবাহিনীতে `রেটুন শস্য` আবাদে আলোড়ন তুলেছেন ভূরুঙ্গামারীর কৃষকরা দিনাজপুর সদরে আরো ৭ দিন বাড়ল লকডাউন

লালমনিরহাট- ২ লাখ টাকা হলেই সুস্থ হবে টিউমার আক্রান্ত আয়েশা

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ জুন ২০২১  

মায়ের কোলে ১০ দিন বয়সী নবজাতক আয়েশা সিদ্দিকা কান্না করছে, আবার হাসছে। তার হাসি দেখলেই সবার মন জুড়িয়ে যায়। তবে তার এ হাসি কত দিন থাকবে, কেউ জানে না। কারণ, পিঠে বড় আকারের টিউমার নিয়ে তার জন্ম হয়। চিকিৎসকরা বলছেন দ্রুত চিকিৎসা না করালে আয়েশা মারাও যেতে পারে। চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু দরিদ্র কৃষক বাবা রবিউলের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের হিরামানিক গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলাম ও আনোয়ারা বেগম দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় নবজাতক আয়েশা সিদ্দিকা। বতর্মানে রবিউল তার শ্বশুরবাড়ি আদিতমারী উপজেলার খাতাপাড়া মাজার এলাকায় থাকেন।

রবিউল ইসলাম জানান, রমজানের ঈদের দুই-তিন দিন পর বৈশাখী ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে তাদের মেয়ের জন্ম হয়। কিন্তু সন্তনের পিঠে ও আরেকটি গোপন স্থানে বড় আকারের টিউমার দেখে চিন্তায় পড়ে যায় পুরো পরিবার। পরে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বললে চিকিৎসকরা জানান, নবজাতকের টিউমার অপারেশন করতে অনেক টাকার প্রয়োজন হবে।

রবিউল বলেন, চিকিৎসা না করাতে পারলে আমার সন্তানকে হয়তো আর বাঁচানো সম্ভব হবে না। অনেকে কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন। কিন্তু অপারেশন করাতে আরও দুই লাখ টাকার প্রয়োজন। এত টাকা আমি কোথায় পাব? ওষুধ বাবদ প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। এই টাকা সংগ্রহ করতে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করতে হয় আমাকে।

আনোয়ারা বেগম বলেন, দ্রুত চিকিৎসা না করাতে পারলে আমার সন্তানকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। সমাজের বিত্তবানরা একটু এগিয়ে এলে তাকে বাঁচানো যাবে। আমার ফুটফুটে সন্তান আবার আমার কোলে ফিরে আসবে।
প্রতিবেশী সাজ্জাদ হোসেন সাজু ও স্বপন বলেন, বিষয়টি জেনে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জেনেও এখন পর্যন্ত কোনো সাহায্য করেননি। পরিবারটি আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। সরকার ও বিত্তশালীদের তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ওই অসহায় পরিবারটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর আবেদন করলে তাকে সহযোগিতা করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে বলে দিচ্ছি তিনি খোঁজখবর নেবেন।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যকে দিয়ে বিষয়টি খোঁজ নেব। জেলা প্রশাসন থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করব।

নবজাতককে সাহায্য করতে চাইলে নবজাতকের বাবা রবিউল ইসলামের ০১৩০২-১৬৪৮৭০ এই ‘নগদ’ নম্বরে টাকা পাঠাতে পারবেন যে কেউ।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –