শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
৭ আগস্ট থেকে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা শুরু। ডেমোক্র্যাট নেত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন একই দল থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্য তুলসী গ্যাবার্ড। জনগণের সেবার উদ্দেশ্যেই ডাক্তার হতে হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামকে সমর্থন দিয়েছে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আ’লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা।

লালমনিরহাটে ধান বিক্রি করতে আসা প্রান্তিক কৃষকদের হয়রানির অভিযোগ

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২০  

সরকারিভাবে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন লালমনিরহাটের প্রান্তিক কৃষকরা। প্রতিনিয়ত গুদাম কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। আর টাকা না দিলে খাদ্যগুদামের দায়িত্বে থাকা লোকজনের কাছে হয়রানির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা।

জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৮৩৭ মে. টন। প্রতি কৃষক ২৬ টাকা দরে ১ মে. টন ধান বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। কিন্তু ধান বিক্রি করতে আসা প্রান্তিক কৃষকদের প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। প্রতি টনে শ্রমিকদের ৫০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি দিতে হচ্ছে। আর কৃষকরা টাকা দিতে না চাইলে কৌশলে তাদের ধান ফেরত দিচ্ছেন খাদ্যগুদামের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। 

সরেজমিনে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খাদ্যগুদামের ভিতরে ধানের ভ্যান নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অফিসাররা কৃষক বুঝে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করেন। যদি কোনো কৃষক টাকা দিতে রাজি না হন তাহলে তার ধানের নানা রকম সমস্যা দেখিয়ে ফেরত দেয়া হয়।

ফলে এক প্রকার বাধ্য হয়ে টাকা দেন কৃষকরা। এরপর খাদ্যগুদামের শ্রমিকরা কৃষকের প্রতি টন ধান ৫০০ টাকার নিচে গুদাম ঘরে ঢুকান না। তাই কৃষকদের সেখানেও দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এছাড়া ধান বিক্রির বিল নিতে গেলে অফিসে কাগজপত্র এবং অফিসারের স্বাক্ষরের জন্য কৃষকদের দিতে হয় ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। ফলে লালমনিরহাটের প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিনিয়ত সরকারিভাবে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হয়রানির শিকার লেবুর হোসেন, হাসান আলী, আতাউর রহমানসহ একাধিক প্রান্তিক কৃষকরা জানান, এ বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ বা অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ফলে কেউ কোনো অভিযোগ করতে চান না।

খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান জানান, কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না। যা জানার দরকার তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের থেকে জেনে নেন।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আইয়ুব আলী জানান, এ ব্যাপারে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর