ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬১ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ একেএম নুরুন্নবী লাইজু। রংপুরের শ্যামপুরে বাইক দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত, আহত ২ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন হাজার ৬২৫ জনে। একই সময়ে নতুন করে দুই হাজার ৬৪৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো দুই লাখ ৭৪ হাজার ৫২৫ জনে।
  • রোববার   ১৬ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭

  • || ২৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী আজ পঞ্চগড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্বোধন কুড়িগ্রামে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা ১৫ই আগস্ট উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ জাতির পিতার রক্ত যেন বৃথা না যায়: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৩৫৯

লালমনিরহাটে ধান বিক্রি করতে আসা প্রান্তিক কৃষকদের হয়রানির অভিযোগ

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২০  

সরকারিভাবে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন লালমনিরহাটের প্রান্তিক কৃষকরা। প্রতিনিয়ত গুদাম কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। আর টাকা না দিলে খাদ্যগুদামের দায়িত্বে থাকা লোকজনের কাছে হয়রানির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা।

জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৮৩৭ মে. টন। প্রতি কৃষক ২৬ টাকা দরে ১ মে. টন ধান বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। কিন্তু ধান বিক্রি করতে আসা প্রান্তিক কৃষকদের প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। প্রতি টনে শ্রমিকদের ৫০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি দিতে হচ্ছে। আর কৃষকরা টাকা দিতে না চাইলে কৌশলে তাদের ধান ফেরত দিচ্ছেন খাদ্যগুদামের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। 

সরেজমিনে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খাদ্যগুদামের ভিতরে ধানের ভ্যান নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অফিসাররা কৃষক বুঝে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করেন। যদি কোনো কৃষক টাকা দিতে রাজি না হন তাহলে তার ধানের নানা রকম সমস্যা দেখিয়ে ফেরত দেয়া হয়।

ফলে এক প্রকার বাধ্য হয়ে টাকা দেন কৃষকরা। এরপর খাদ্যগুদামের শ্রমিকরা কৃষকের প্রতি টন ধান ৫০০ টাকার নিচে গুদাম ঘরে ঢুকান না। তাই কৃষকদের সেখানেও দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এছাড়া ধান বিক্রির বিল নিতে গেলে অফিসে কাগজপত্র এবং অফিসারের স্বাক্ষরের জন্য কৃষকদের দিতে হয় ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। ফলে লালমনিরহাটের প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিনিয়ত সরকারিভাবে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হয়রানির শিকার লেবুর হোসেন, হাসান আলী, আতাউর রহমানসহ একাধিক প্রান্তিক কৃষকরা জানান, এ বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ বা অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ফলে কেউ কোনো অভিযোগ করতে চান না।

খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান জানান, কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না। যা জানার দরকার তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের থেকে জেনে নেন।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আইয়ুব আলী জানান, এ ব্যাপারে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
লালমনিরহাট বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর