ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩৯৩ জনে। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ। বরগুনার আলোচিত শাহনেওয়াজ শরীফ ওরফে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ সময় বাকি চার আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।
  • বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১৫ ১৪২৭

  • || ১২ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
করোনা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৬ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ম্যাজিকের মতো কাজ করছে-পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বেরোবি ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ ‘বাংলাদেশে পানি জীবন-মরণের বিষয়’ মুজিববর্ষের উপহার: ৯ লাখ পরিবারকে ঘর দেবে সরকার
৫৭

লালমনিরহাটে বাল্যবিয়ে ঠেকানো সেই শাহিনার পাশে জেলা প্রশাসক 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ইউএনও’কে ফোনদিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে নিজের বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেয়া সেই মেধাবী ছাত্রী শাহিনা আক্তারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর। 


সোমবার( ১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)’র কার্যালয়ে তাকে ডেকে নিয়ে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী বই উপহার দেন জেলা প্রশাসক । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন, ইউএনও সামিউল আমিন, সির্ন্দুনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরল আমিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ফেরদৌস আহম্মেদ ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা মাহবুব আলম। শাহিনা আক্তার হাতীবান্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী ও ওই উপজেলার উওরধুবনী গ্রামের সাইরুদ্দিনের মেয়ে। 
উল্লেখ্য,সম্প্রতি শাহিনা আক্তারকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন তার বাবা-মা। উপায় না পেয়ে শাহিনা বাড়ি থেকে পালিয়ে তার এক বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। ওই বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেতে প্রথমে হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলমকে ফোন করে সহযোগিতা চান ওই ছাত্রী। তার কাছে তেমন সহযোগিতা না পেয়ে হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিনকে ফোন করে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেতে সহযোগিতা কামনা করেন শাহিনা।

এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। পরে ইউএনও সামিউল আমিন হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলমকে সাথে নিয়ে প্রথমত শাহিনা আক্তারকে তার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। পরে ইউএনও নিজ গাড়ীতে করে শাহিনাকে নিয়ে তার বাড়িতে হাজির হন। এ সময় তার বাবা সাইরুদ্দিনের কাছ থেকে মুছলেকা নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আইয়ুব আলীর জিম্মায় দেন শাহিনাকে।


হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন জানান, শাহিনা আক্তার নিজের বাল্য বিয়ে ঠেকিয়ে আমাদের সমাজকে বুঝিয়ে দিয়েছেন নারীরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে চায়। আর যেন একটি মেয়েরও বাল্যবিয়ে না হয় সেজন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
লালমনিরহাট বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর