ব্রেকিং:
বাংলাদেশে পৌঁছেছে ভারতের উপহারের ২০ লাখ ডোজ করোনা টিকা ‘কোভিশিল্ড’। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার কিছু আগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ ফ্লাইটটি। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এ টিকা বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিলো ভারত সরকার।
  • বৃহস্পতিবার   ২১ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৮ ১৪২৭

  • || ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে করোনার টিকাদান শুরু হবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৯ লাখ পরিবারকে বাড়ি দিচ্ছে সরকার ঠাকুরগাঁওয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পলিথিনে ঢাকা বীজতলা ৪’শ কোটি টাকায় প্রতিবন্ধীদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স করবে সরকার বিনাশুল্কে বাংলাদেশি ৮২৫৬ পণ্য যাচ্ছে চীনের বাজারে

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্ট জারি 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২১  

বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে কানাডায় পালিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি.কে) বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল।

বাংলাদেশ পুলিশের অনুরোধে তার বিরুদ্ধে এ নোটিশ জারি করা হয়েছে। পিকে হালদারের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের সহকারি মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) শাখা পিকে হালদারের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করে। সেই আবেদনে আমরা তার সাম্ভাব্য লোকেশন উল্লেখ করে দিয়েছিলাম। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা এবং অপরাপর যেসব অভিযোগ রয়েছে তা সুনিদ্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছিলো। আমাদের আবেদনটি ইন্টারপোলের বিশেষ কমিটি পর্যালোচনা করেছে এবং সেই পর্যালোচনা সাপেক্ষে আজকে তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছে। আগামী ৫ বছরের জন্য এই রেড নোটিশ জারি বহাল থাকবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে ইন্টারপোলের যে শাখা (এনসিবি) রয়েছে সেসব দেশে এই রেড নোটিশটি ইতিমধ্যে প্রেরণ করেছে ইন্টারপোল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিকে হালদার রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকা অবস্থায় আত্মীয়স্বজনকে দিয়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে থাকা ৮৩ জনের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে কৌশলে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি ও তার সহযোগীরা। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকেই ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে। কিন্তু ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতে পি কে হালদার বিদেশে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি কানাডায় পলাতক রয়েছেন। তবে ইতিমধ্যে তথ্য প্রমাণের সাপেক্ষে কমিশন তার বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে।

এদিকে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া পিকে হালদারের স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ধানমণ্ডির দুটি ফ্লাটসহ পিকে হালদারের স্থাবর সম্পদগুলো ক্রোকের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন এ আবেদন করেন।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –