ব্রেকিং:
বাংলাদেশে পৌঁছেছে ভারতের উপহারের ২০ লাখ ডোজ করোনা টিকা ‘কোভিশিল্ড’। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার কিছু আগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ ফ্লাইটটি। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এ টিকা বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিলো ভারত সরকার।
  • বৃহস্পতিবার   ২১ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৮ ১৪২৭

  • || ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে করোনার টিকাদান শুরু হবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৯ লাখ পরিবারকে বাড়ি দিচ্ছে সরকার ঠাকুরগাঁওয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পলিথিনে ঢাকা বীজতলা ৪’শ কোটি টাকায় প্রতিবন্ধীদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স করবে সরকার বিনাশুল্কে বাংলাদেশি ৮২৫৬ পণ্য যাচ্ছে চীনের বাজারে

পায়ে হেটে চরবাসীর খোঁজ নিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০২০  

তিস্তার ধুধু বালু চরের দশ কিলোমিটার পায়ে হেটে দুইটি বাস্তাবায়িত প্রকল্প দেখতে গেলেন লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক (ডিসি) আবু জাফর। এ সময় তিনি তিস্তার বুকে জেগে উঠা ধুধু বালু চরে কৃষকদের আগাম ফসল দেখে মুগ্ধ হন।

গতকাল সোমবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টায় হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্না ইউনিয়নের তিস্তা চরের তিনটি ওয়ার্ডে বাস্তাবায়িত প্রকল্প মুজিব কেল্লাহ নির্মান এবং স্ট্যান লাইড ও সোলার হোম সিষ্টেম প্রকল্প পরির্দশনে যান তিনি। এ সময় ৪ ঘন্টা তিস্তার চরে থেকে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে বিকেল ৫ টায় ফিরে এসে লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা করেন।
উপজেলা সিন্দুর্না ইউনিয়নের চর সিন্দুর্নার গ্রামের ১,২ও ৩ নং ওয়ার্ডে চরবাসী জন্য প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ বাস্তাবায়ন প্রকল্পে লক্ষে তিস্তার চরের প্রতিটি বাড়ি সোলার হোম সিষ্টেম প্রকল্প পরির্দশন ও তাদের সাথে কথা বলেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক আবু জাফর প্রায় দশ কিলোমিটার বালু চরে পায়ে হেটে চর এলাকার প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সোলার সিষ্টেম দেখেন এবং তাদের কথা শুনে। এসময় তিনি বলেন,তিস্তার বাধঁ নিমার্ন হলে চরের মানুষের দু:খ ঘুচবে। তিনআরও বলে, তিস্তার চরে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হচ্ছে এতে চরের কৃষকরা লাভবান হবেন।

জেলা প্রশাসককে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত হন চরবাসী। এসময় চরবাসীর নানারকম সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন জেলা প্রশাসক।


 
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ৬ কোটি কাটা ব্যয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের প্রস্তাবিত মুজিব কেল্লাহ তিনতলা ভবন নিমার্ণ এবং মুজিব ক্যাটেল সেট, স্ট্যান লাইড ও সোলার হোম সিষ্টেম প্রকল্প তিস্তার চরে নির্মিত হচ্ছে। নদী ভাঙ্গন, ক্ষতিগ্রস্তা পরিবার ও চরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়ন স্বাস্থ সেবা, শিশুদের ঝড়েপড়া রোধ নিয়ে তিনি মতবিনিময় করেন। হাতীবান্ধা উপজেলা সিন্দুর্না ইউনিয়নের চর সিন্দুর্নার গ্রামের ১,২ও ৩ নং ওয়ার্ডের চরবাসীর জন্য ৭ শত ১১ পরিবারে জন্য সোলার প্রদান করা হয়। চর অঞ্চলে জন্য ৫টি স্টান লাইড স্থাপন করা হয়।

এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক (ডিসি) আবু জাফর এস সাথে ছিলেন, হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা(পিআইও) ফেরদৌস আহমেদ, সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরল আমিন,ইউপি সদস্য,আমিনুর রহমান,মফিজার রহমান ও গ্রামপুলিশ।

সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরল আমিন বলেন, চরের প্রতিটি বাড়িতে সোলার হোম সিষ্টেম রয়েছে। সন্ধ্যা হলেই তিস্তার চর আলোকিত হয়ে উঠে। চরবাসীর জন্য সোলার হোম সিষ্টেম ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধ্যবাদ জানান।

লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক (ডিসি) আবু জাফর বলেন, চরের মানুষের জীবনমান সরেজমিনে দেখতে আজ চরঅঞ্চল পরিদর্শনে এসেছি। এখানকার প্রতিটি পরিবার পরিশ্রমি। তিস্তার বালু চরে ফসল ফলিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –