ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ২ হাজার ৯৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৯ জনের
  • বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে মাঠে গড়াতে পারে দেশের ঘরোয়া লিগের জনপ্রিয় আসর বিপিএল কাজে ফিরেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথরখনির শ্রমিকরা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাংসদ রমেশ চন্দ্র করোনায় আক্রান্ত শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়েছে: কাদের
২০১

তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত     

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২০  

লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার সীমানা দিয়ে বয়ে চলা তিস্তা নদীর পানি হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্ট শুক্রবার (১০ জুলাই) বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের উজানে ডালিয়া পয়েন্টে ৫২ দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ পরিমাপ করা হয়। যা স্বাভাবিক বিপদসীমার পানিপ্রবাহ ৫২.৬০ সেন্টিমিটার থেকে ২৮ সেন্টিমিটার বেশি)।


শুক্রবার সকাল থেকে পানিপ্রবাহ বাড়তে বাড়তে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি পরিমাপক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আমিনুর রশীদ।


তিনি বলেন, উজানের ঢলে ও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় রাতে আরো পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এ জন্য তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজনকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।


লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্ণা, ডাউয়াবাড়ী, পাটিকাপাড়া, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, তুষভান্ডার, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, গোকুন্ডা, রাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তিস্তা নদীর পানি ঢুকে পড়েছে। এতে নিম্নাঞ্চলের লোকজন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় শুকনা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।


ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নীলফামারী জেলার জলঢাকা, ডিমলা এবং লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী, লালমনিরহাট সদর উপজেলার বেশকিছু ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো জল কপাট খুলে দিয়ে পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী লোকজনকে নিরাপদে থাকতে দুই জেলার জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।


জানতে চাইলে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বন্যা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের মনিটরিং এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার ব্যাপারে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্র গুলো এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।    

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
লালমনিরহাট বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর