ব্রেকিং:
করোনায় প্রণোদনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তি থেকে করোনাভাইরাস ছড়ায়না করোনা পরীক্ষায় ২০ লাখ টাকার কিট দেবে সাকিবের ফাউন্ডেশন আগামী সাত দিনের মধ্যে করোনাভাইরাস পরীক্ষার নতুন পদ্ধতি আসছে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬১ জনে
  • শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২০ ১৪২৬

  • || ১০ শা'বান ১৪৪১

সর্বশেষ:
রোববার থেকে ১০ টাকায় চাল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ব্যক্তিগতভাবে ত্রাণ দিতে চাইলেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে করোনা পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের সঙ্কট মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সারাদেশের করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য চালু হচ্ছে ‘করোনা ম্যাপ’ মেয়াদ বাড়লো বাফুফের বর্তমান কমিটির
৭৩

কিভাবে বুঝবেন সাধারন সর্দি-কাশি নাকি করোনা? 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২০ মার্চ ২০২০  

ঋতু বদলের এই সময়ে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি দেখা দেয়া খুব স্বাভাবিক চিত্র। এদিকে করোনার আতঙ্কে কোণঠাসা মানুষ। তাই সর্দি-কাশি হলেই কি ঘরে বন্দি থাকতে হবে? নাকি সাধারণ অসুখ মনে করে তার নিরাময় করবেন? এখন কথা হলো, আপনি কী করে বুঝবেন এটি সাধারণ সর্দি-কাশি নাকি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ? চলুন জেনে নেয়া যাক চিকিৎসকরা কী বলছেন-

জ্বর-সর্দি-হাঁচি-কাশি হলে অন্যান্যবারের মতোই ঘরোয়া উপায় মেনে চলুন। ঘরে শুয়ে-বসে বিশ্রাম নেবেন। হালকা খাবার খাবেন। হালকা গরম পানি খাবেন পর্যাপ্ত। দরকার মতো প্যারাসিটামল, কাশির ওষুধ খাবেন একটু আধটু। হাঁচি-কাশির সময় পরিষ্কার রুমাল ব্যবহার করবেন। শিশু, বয়ষ্ক, রুগ্ণ ও গর্ভবতীদের থেকে দূরে থাকবেন। এটুকু করলেই ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমেই ভাইরাসকে কাবু করা যাবে। তখন বুঝতে হবে এটা সাধারণ ফ্লু-ই ছিল।

যদি ১০ দিনেও অসুখ না কমে তবে অবশ্যই সরকারি হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে সমস্যা জানাবেন। দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে করোনা হয়েছে কি না তা বুঝতে পরীক্ষার ব্যবস্থা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।
মেডিকেল টিম ঠিক করবে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ খেতে হবে কি না। আপনার যদি কোনও রিস্ক ফ্যাক্টর না থাকে, অর্থাৎ সম্প্রতি বিদেশ যাননি বা আশপাশে এ ধরনের রোগী নেই, তা হলে ভয় তুলনায় অনেক কম।

কিন্তু আশপাশে এ ধরনের রোগী নেই তা কী করে বোঝা যাবে? হাঁচি-সর্দি নিয়ে তো অনেকেই ঘুরে বেড়ান। তাদের কারো যদি এই সংক্রমণ হয়ে থাকে ও তিনি যদি ধারেকাছে এসে হাঁচি-কাশি দেন, তাহলে সমস্যা হতেই পারে।

চিকিৎসকদের মতে, এই ভাইরাস যদি ১০০ জনকে সংক্রামিত করে তার মধ্যে ১০-১৫ কি ২০ জনের অবস্থা জটিল হয়। বিপদ হয় দু’-এক জনের। বাকি ৮০-৮৫ শতাংশ মানুষের সাধারণ ভাইরাস সংক্রমণের মতো উপসর্গ হয়। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে তা নিজের নিয়মেই কমে যায়। তবে এরা অসুস্থ শরীরে রোগ ছড়াতে পারে। কিন্তু তাতেও উদ্বেগের কিছু নেই। প্রথমত, রোগ হলেও ৮০-৮৫ শতাংশ সম্ভাবনা যে আপনি প্রথম প্রথম অসুখটা টেরও পাবেন না। কাজেই রোগ হচ্ছে এমন কোনো জায়গায় যদি সফর না করে থাকেন, তা হলে নূন্যতম সচেতনতা মেনে চললেই হবে।
কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখুন:

* কারও যদি হার্ট-লাং-কিডনি-লিভারের ক্রনিক অসুখ না থাকে, বা কোনো অসুখ বা ওষুধের কারণে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে না যায় কিংবা বয়স খুব বেশি না হয়, তাহলে ভয় নেই।

*রোগের উপসর্গ দেখা দেয়ার পর ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা যেতে পারে। তার পর যদি দেখা যায় উপসর্গ কমার বদলে বাড়ছে, প্রবল জ্বর উঠছে বা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রক্তচাপ কমে মাথা ঘুরছে, প্রলাপ বকতে শুরু করছেন, তাহলে তা বিপদের লক্ষণ।

এখনও পর্যন্ত এ রোগের প্রতিষেধক বা নির্দিষ্ট ওষুধ কিছু নেই। উপসর্গ হলে তবে তা কমানোর চিকিৎসা করা হয়। আর এতেই ৯৭-৯৮ শতাংশ মানুষ সেরে যান।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর