ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো দুই হাজার ৩৮১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হাজার ৫৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন আরো ২২ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৭২ জন। সোমবার দুপুর আড়াইটায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে দৈনন্দিন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ছয়জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী, তিনজন গার্মেন্টসকর্মী ও একজন মাওলানা।
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনাকালে অর্থনীতিতে স্বস্তি দিচ্ছে প্রবাসীদের আয় জুন মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব ফি মওকুফের সিদ্ধান্ত বন্ধই থাকছে উবার-পাঠাওসহ সব রাইড শেয়ারিং ভারত সীমান্তের অংশ নিজেদের দাবি করে নেপালের পার্লামেন্টে বিল পেশ খেলাধুলার পাশাপাশি ফলাফলেও এগিয়ে বিকেএসপির ক্যাডেটরা
৩৬

করোনা আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করাতে পারবে শিশুরা   

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ মে ২০২০  

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে সম্ভাব্য বা আক্রান্ত মায়েরা তাদের শিশু সন্তানদের দুধ পান করানো বিষয়ক তথ্য বার্তার অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি অনুমোদিত এই পুষ্টিবার্তা জনস্বার্থে প্রচার করবে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ। তথ্য বার্তায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রমণে সম্ভাব্য/শনাক্তকৃত মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ পান করাতে পারবেন। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ দেওয়া শুরু করবেন এবং জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করাবেন।

হাঁচি-কাশিজনিত শিষ্টাচার মেনে চলুন এবং মাস্ক পরুন। শিশুকে দুধ পানের আগে-পরে এবং শিশুকে স্পর্শ করার আগে হাত ভালো করে সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধুয়ে অথবা অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। যেসব স্থানে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত মায়ের সংস্পর্শে এসেছে সেসব জায়গা বা ব্যবহৃত আসবাবপত্রের উপরিতল নিয়মিতভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করুন।

গুরুতর অসুস্থতার কারণে মায়ের দুধ পান করানো, বের করা সম্ভব না হলে দাই-মা বা কোনো স্তন্যদানকারী নারীকে খুঁজে বের করে দুধ পান করাতে উৎসাহিত করুন। এগুলোর কোনোটি সম্ভব না হলে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মায়ের দুধের যথাযথ কোনো বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাব্যতা খুঁজে বের করুন এবং পরবর্তী সময়ে মা সুস্থ হলে শিশুকে পুনরায় মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করুন।

শিশু যদি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয় এবং মায়ের দুধ পানে সমর্থ হয় তবে শিশুকে তার চাহিদা অনুযায়ী বারে বারে মায়ের দুধ পান করতে দিন। এক্ষেত্রে সংক্রমণে রোধে মা দরকারি পদক্ষেপ ও প্রয়োজনে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

এখন কোভিড-১৯ দুর্যোগকালীন সাধারণ মানুষের পুষ্টির ব্যাপারে ভ্রান্ত ধারণা দূরীকরণসহ সঠিক তথ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয়ে শিশুখাদ্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর