ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৩ হাজার ২০১ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জনে। করোনা কেড়ে নিল টনি পুরস্কারের জন্য মনোনীত এই ব্রডওয়ে তারকা নিক করদেরো প্রাণ। আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী আম্যান্ডা কলুটস।
  • সোমবার   ০৬ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনে ভারত-পাকিস্থানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ প্রবাসী কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ কোরবানির আগে চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণের সুযোগ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশে করোনার পিক আওয়ার ছিল জুন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনা
৩৩৪

করোনা সংক্রমিত ছিল না তিস্তায় ভাসিয়ে দেয়া সেই গার্মেন্টসকর্মী 

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৮ মে ২০২০  

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সন্দেহে তিস্তা নদীতে ফেলে দেওয়া লালমনিরহাটের পাটগ্রামের গার্মেন্টসকর্মী মৌসুমী আখতার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন না বলে চিকিৎসকদের হাতে রিপোর্ট এসেছে।

গতকাল বুধবার(২৭মে) রাত সাড়ে ১১ টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায়। এর আগে সংক্রমিত নয় বলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর রিপোর্টে বলা হয়।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে রোববার সন্ধ্যায় মৌসুমীর মরদেহ ব্যাগে ভরা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার রাতে গোলাম গোলাম মোস্তফা আদিতমারী থানায় গিয়ে লাশটি শনাক্ত করেন। লালমনিরহাটের পুলিশ সুপারের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকেলে আদিতমারী ও পাটগ্রাম থানার পুলিশের উদ্যোগে পাটগ্রামের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মৌসুমী আখতারের লাশ দাফন হয়।

পুলিশ জানায়,অসুস্থ অবস্থায় মৌসুমী আখতার ট্রাকযোগে গত বৃহস্পতিবার লালমনিরহাটে ফিরছিলেন। ট্রাকচালক রংপুরের তাজহাট এলাকায় এসে বুঝতে পারেন মৌসুমী মারা গেছেন।ঘটনাটি জানতে পেরে তাজহাট থানার পুলিশ মৌসুমী আখতারের মরদেহ ও ট্রাকচালককে থানায় নিয়ে যায়। তাজহাট থানার পুলিশের অনুরোধে নমুনা নিয়েছিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নমুনা সংগ্রহের শেষে শনিবার মরদেহ তাঁর বাবা গোলাম মোস্তফার জিম্মায় দেওয়া হয়।

গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করেন, তিনি মৌসুমীর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য মুঠোফোনে পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউপির চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নিসাদের সঙ্গে কথা বলেন। করোনা সংক্রমণে মৌসুমী মারা গেছেন মনে করে চেয়ারম্যান লাশ এলাকায় নিতে নিষেধ করেন। এরপর তিনি নিরুপায় হয়ে মেয়ের মরদেহ রংপুরে দাফনের জন্য একজন লাশবাহী গাড়ির চালককে পাঁচ হাজার টাকা দেন। কিন্তু লাশ দাফন না করে তিস্তা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে বুড়িমারী ইউপির চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নিসাদ দাবি করেন, তিনি মৌসুমী আখতারের মরদেহ গ্রামে এনে দাফন করতে নিষেধ করেননি। বরং সহায়তা করতে চেয়েছিলেন।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
লালমনিরহাট বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর