শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
৭ আগস্ট থেকে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা শুরু। ডেমোক্র্যাট নেত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন একই দল থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্য তুলসী গ্যাবার্ড। জনগণের সেবার উদ্দেশ্যেই ডাক্তার হতে হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামকে সমর্থন দিয়েছে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আ’লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা।

অসময়ের নদীভাঙন: হুমকিতে গঙ্গাচড়ার তিন হাজার পরিবার

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

 

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় অসময়ে তিস্তার ভাঙনে ডান তীররক্ষা বাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে পড়েছে দুই গ্রামের প্রায় তিন হাজার পরিবার ও ৩০০ একর জমির উঠতি ফসল। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের ফোটামারী গ্রামে গত কয়েকদিন থেকে অসময়ে (শুষ্ক মৌসুমে) তিস্তায় ভাঙন দেখা দেয়। অব্যাহত ভাঙনে ওই গ্রামে অবস্থিত তিস্তা রক্ষা  ডানতীর বাঁধের প্রায় ৬০০ ফুট অংশ সম্পুর্ণ ভেঙে গেছে। বাঁধের ধারে কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটিও ঝুঁকিতে রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের ব্যবস্থা করা না গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুরো বাঁধ ভেঙে তিস্তার পানিতে তলিয়ে নষ্ট হবে ৩০০ একর জমির আলু, ভুট্টা, তামাকসহ উঠতি ফসল। 

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙন শুরু হয়েছে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে (মূল বাঁধ)। ফোটামারী টিহেড গ্রয়িং থেকে ফোটামারী আলসিয়াপাড়া স্পার পর্যন্ত এক কিলোমিটারের বেশি এলাকাজুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে তিস্তার পানি ঘাঘট নদীর পানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরো বেশ কিছু এলাকাসহ রংপুর শহরে পানি প্রবেশ করবে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

ফোটামারী এলাকার মহুবর রহমান, মমিনুর পালোয়ান, রফিকুল ইসলাম, লোকমান হোসেন, রমজান আলী ও  জমিয়ার রহমান অভিযোগ করেন, কয়েকদিনের ভাঙনে বাঁধটি প্রায় বিলীনের পথে। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যানকে অবগত করার পরও ভাঙন রোধে তিনি ব্যবস্থা নেননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেউ এলাকায় আসেননি। এখনই বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে তিস্তার পানিতে দুই গ্রামের কয়েক হাজার পরিবারসহ উঠতি ফসলসহ আবাদী জমি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাবে। এছাড়া বাঁধ ভেঙে তিস্তার পানি ঘাঘট নদীর সাথে যুক্ত হয়ে রংপুর শহরে প্রবেশ করবে। 

এদিকে, তিস্তার ভাঙনের কবলে পড়েছেন ফোটামারী এলাকার ইয়াছিন আলী, লালমোহন, সোলেমান আলী, আজহারুল ইসলাম, বাচ্চু মিয়া, লক্ষ্মী রায়, অতুল চন্দ্র, শঙ্কর রায়, টেপা দাস, কেটুদাস, পঙ্কুদাস, সত্য রায়, বিকাশ রায়, পরিমল রায়, নির্মল রায়ের বাড়ি। স্থানীয় ইউপি সদস্য জোবেদ আলী দ্রুত ভাঙন রোধের দাবি করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ টিটুল জানান, বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে বির্স্তীণ এলাকার ক্ষয়ক্ষতি হবে। তিনি দ্রুত ভাঙন রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরে অবগত করার পরও কাজ হচ্ছে না। 

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন রোধের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ করা হবে।

– লালমনিরহাট বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর